, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গাইবান্ধায় কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের শহীদ মিনার ভাঙচুর, ক্ষোভ ভোলার বোরহানউদ্দিনে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যকে পিটিয়ে জখম গাইবান্ধায় শিশু স্বর্গের ফলক উন্মোচন ও মতবিনিময় করলেন সচিব মো. আমিনুল ইসলাম গাইবান্ধায় ৩২৫ পিস ইয়াবাসহ কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ীর স্ত্রী গ্রেপ্তার, নগদ টাকা উদ্ধার গাইবান্ধার ফুলছড়িতে বহুমুখী নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্র উদ্বোধন ও বীজ বিতরণ যুব শক্তি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে জাতীয় গুণী শিক্ষক সাহিদা আক্তার সুমনাকে সম্মাননা প্রদান ভোলার চর সামাইয়া-আলীনগরে মাইনউদ্দিন-জসিমের নেতৃত্বে চলছে মাদকের রমরমা বানিজ্য! গাইবান্ধায় বার্ষিক ক্রীড়া কর্মসূচির আওতায় সাঁতার প্রশিক্ষণের উদ্বোধন ভোলায় ৯৫ বছরের বৃদ্ধ বাবার সম্পত্তি আত্মসাতের পাঁয়তারা, জাল দলিল তৈরির প্রতিবাদে মানববন্ধন। ভোলা সদর উপজেলা মৎস্যজীবী দলের কমিটি অনুমোদন

ছেলে হত্যার মামলা প্রত্যাহার না করায় বাবাকে গুলি

  • প্রকাশের সময় : ১২:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬
  • ৩০০ পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক:নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় আলোচিত ইমন হত্যার মামলা প্রত্যাহার না করায় বাবাকে গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায় সন্ত্রাসী জাহিদ ও তার সহযোগীরা।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ফতুল্লার মাসদাইর কাজিবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি কালবেলাকে নিশ্চিত করেন ফতুল্লা থানার কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহবুব আলম।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পরিবারের সদস্যরা জানান, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি রাতে মাসদাইর গুদারাঘাট এলাকায় ইমনকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় তার বাবা ওমর খৈয়াম বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় জাহিদসহ ১৯ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত আরও ৫ থেকে ৬ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকেই বিভিন্নভাবে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি দেয় তারা।

পরিবারের ভাষ্য, ঘটনার দিন বোরকা পরিহিত জাহিদ ৭ থেকে ৮ জন মুখোশধারী সহযোগীকে নিয়ে তাদের বাড়িতে প্রবেশ করে। মামলা প্রত্যাহার না করায় ওমর খৈয়ামের ওপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। পরিবারের সদস্যদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা গুলি ছুড়তে ছুড়তে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, জাহিদ এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারি। সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে তিনি এলাকায় ‘কিলার জাহিদ’ নামে পরিচিত। এছাড়া র‌্যাবের অভিযানে বাধা দিয়ে সদস্যদের ওপর হামলা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া এবং পুলিশের এক উপপরিদর্শককে (এসআই) ছুরিকাঘাত করে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

ফতুল্লা মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) মাহবুব আলম বলেন, ‘জাহিদকে গ্রেপ্তারের জন্য দীর্ঘদিন ধরে অভিযান চলছে। তিনি বিভিন্ন সময় বোরকা পরে আত্মগোপনে চলাফেরা করেন। এ কারণে তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হচ্ছে না। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।’

প্রসঙ্গত, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি রাতে মাদক মামলায় জামিনে মুক্তির কিছু সময় পর ফতুল্লার মাসদাইর গুদারাঘাট এলাকায় ইমনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ওই ঘটনায় করা হত্যা মামলার বাদী ছিলেন নিহতের বাবা ওমর খৈয়াম। পরিবারের অভিযোগ, সেই মামলাটি প্রত্যাহার না করায় এবার তার ওপর প্রাণঘাতী হামলা চালানো হয়েছে।

জনপ্রিয়

গাইবান্ধায় কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের শহীদ মিনার ভাঙচুর, ক্ষোভ

ছেলে হত্যার মামলা প্রত্যাহার না করায় বাবাকে গুলি

প্রকাশের সময় : ১২:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

অনলাইন ডেস্ক:নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় আলোচিত ইমন হত্যার মামলা প্রত্যাহার না করায় বাবাকে গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায় সন্ত্রাসী জাহিদ ও তার সহযোগীরা।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ফতুল্লার মাসদাইর কাজিবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি কালবেলাকে নিশ্চিত করেন ফতুল্লা থানার কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহবুব আলম।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পরিবারের সদস্যরা জানান, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি রাতে মাসদাইর গুদারাঘাট এলাকায় ইমনকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় তার বাবা ওমর খৈয়াম বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় জাহিদসহ ১৯ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত আরও ৫ থেকে ৬ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকেই বিভিন্নভাবে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি দেয় তারা।

পরিবারের ভাষ্য, ঘটনার দিন বোরকা পরিহিত জাহিদ ৭ থেকে ৮ জন মুখোশধারী সহযোগীকে নিয়ে তাদের বাড়িতে প্রবেশ করে। মামলা প্রত্যাহার না করায় ওমর খৈয়ামের ওপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। পরিবারের সদস্যদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা গুলি ছুড়তে ছুড়তে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, জাহিদ এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারি। সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে তিনি এলাকায় ‘কিলার জাহিদ’ নামে পরিচিত। এছাড়া র‌্যাবের অভিযানে বাধা দিয়ে সদস্যদের ওপর হামলা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া এবং পুলিশের এক উপপরিদর্শককে (এসআই) ছুরিকাঘাত করে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

ফতুল্লা মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) মাহবুব আলম বলেন, ‘জাহিদকে গ্রেপ্তারের জন্য দীর্ঘদিন ধরে অভিযান চলছে। তিনি বিভিন্ন সময় বোরকা পরে আত্মগোপনে চলাফেরা করেন। এ কারণে তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হচ্ছে না। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।’

প্রসঙ্গত, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি রাতে মাদক মামলায় জামিনে মুক্তির কিছু সময় পর ফতুল্লার মাসদাইর গুদারাঘাট এলাকায় ইমনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ওই ঘটনায় করা হত্যা মামলার বাদী ছিলেন নিহতের বাবা ওমর খৈয়াম। পরিবারের অভিযোগ, সেই মামলাটি প্রত্যাহার না করায় এবার তার ওপর প্রাণঘাতী হামলা চালানো হয়েছে।