, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
প্রকাশিত ফেসবুক পোস্ট এর প্রতিবাদ। গাইবান্ধায় রামমূর্তি নির্মাণের মুলহোতা প্রতারক হরিদাস চন্দ্র তরণী দাস গ্রেফতার গাইবান্ধায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম মিথ্যা অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী সংবাদ সম্মেলন আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন, সভাপতি ভোলা ১ আসনের সংসদ আন্দালিব রহমান পার্থ চুরখাইয়ে আব্দুল বারেক এর জমি আত্মসাতের অভিযোগ, ক্ষমতার দাপটে গ্রাম্য সালিশে হাজির হননি- ফরহাদ কাজী ছেলে হত্যার মামলা প্রত্যাহার না করায় বাবাকে গুলি গাইবান্ধায় জমি বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা ও লুটপাট: নারীসহ আহত ২, থানায় এজাহার গোবিন্দগঞ্জে ১৭১তম হুল দিবসের সমাবেশে বক্তারা ‎সাঁওতালরা আজও অধিকার থেকে বঞ্চিত ইসলামী ব্যাংকিং সম্প্রসারণ ও যাকাত ব্যবস্থাপনা জোরদারের আহ্বান পার্থর। ভোলায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সফল করতে প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

ভোলায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সফল করতে প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

  • প্রকাশের সময় : ০৬:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
  • ১১২ পড়া হয়েছে

ভোলা প্রতিনিধি।।
জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সফল করতে ভোলায় সিভিল সার্জনের আয়োজনে সাংবাদিকদের সাথে প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকাল ১১টায় ভোলা সিভিল সার্জন কনফারেন্স রুমে “প্রেস কনফারেন্স” অনুষ্ঠিত হয়।
প্রায় ১৪ মাস পর দেশব্যাপী ভিটামিন এ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন শুরু হতে যাচ্ছে। অন্ধত্ব প্রতিরোধসহ শিশুদের পুষ্টিহীনতা দূরীকরণের লক্ষ্যে আয়োজিত এই বিশেষ ক্যাম্পেইন ২৮ জুন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে। ভোলায় এদিন ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী ২ লাখ ৯৩ হাজার ১শ ৩৬ জন শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।
এই ক্যাম্পেইন সফল করতে মাঠ পর্যায়ে সেবাদান করবেন  স্বাস্থ্য সহকারী ২৭১ জন, পরিবার পরিকল্পনা কর্মী ১২৭ জন, সি এইচ সিপি ২২১ জন এবং সেচ্ছাসেবক থাকবে ২২১৬ জন।
জেলার ৭টি উপজেলার ৬৭ ইউনিয়নের ২২৮ ওয়ার্ডসহ দুর্গম অঞ্চলেও এই ক্যাম্পেইন কার্যক্রম চালানো হবে। এবং যাঁরা বাদ পড়বে তাদেরকে নিয়মিত ( উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও হাসপাতালে) ৬ টি কেন্দ্রে এই ক্যাপসুল খাওয়ানো হব। ভোলা জেলা সিভিল সার্জন ডা. মনিরুল ইসলাম প্রেস কনফারেন্সে এ তথ্য জানিয়েছেন।
ক্যাম্পেইন বাস্তবায়নের দায়িত্বে আছে জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান। সিভিল সার্জন জানান, এবারের ক্যাম্পেইনে ২ লাখ ৯৩ হাজার ৫’শ শিশুকে অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬ মাস থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের সংখ্যা (যাদের নীল রঙের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে) ৩৪ হাজার ৫’শ জন। ১২ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের সংখ্যা (যাদের লাল রঙের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে) ২ লাখ ৫৯ হাজার জন।
এ বিষয়ে ভোলা পরিবার পরিকল্পনার উপপরিচালক ডা.মো. মনিরুজ্জামান খান বলেন, ২৮ জুন ভোলায় ভিটামিন এ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। বাস্তবায়নের জন্য ইতিমধ্যে ১৬’শ ৮৯ টি কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। এগুলো ইপিআইয়ের নিয়মিত কেন্দ্র।
ভিটামিন এ ক্যাপসুল ইতোমধ্যে হাতে এসে পৌঁছেছে বলে জানান । তিনি বলেন, ‘ক্যাম্পেইন বাস্তবায়নের জন্য আমরা সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিচ্ছি। আশা করছি, ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের অভিভাবকেরা কাছাকাছি কেন্দ্রগুলোয় গিয়ে তাঁদের সন্তানদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর ব্যবস্থা করবেন।
জেলা পর্যায়ে সিভিল সার্জন এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তারা (নিজেদের টিমের মাধ্যমে) স্থানীয় পর্যায়ে মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের দিন পরিবারে ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী সকল শিশুকে নিকটস্থ ক্যাম্পেইন কেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে নিয়ে গিয়ে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো নিশ্চিত করতে অভিভাবকদের আহ্বান জানান সংশ্লিষ্টরা।
জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের প্রচারপত্রে বলা হয়েছে, ভিটামিন এ শিশুর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, ভিটামিন এ শুধু অপুষ্টিজনিত অন্ধত্ব থেকে শিশুদের রক্ষা করে না; বরং তা রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়। দীর্ঘমেয়াদি ডায়রিয়া থেকে শিশুকে সুরক্ষা দেয়। শিশুর মৃত্যুঝুঁকি কমায়।
শিশুদের অন্ধত্ব ও পুষ্টিহীনতা দূর করতে বাংলাদেশে ১৯৭৩ সাল থেকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো শুরু হয়। তখন এটি ‘জাতীয় রাতকানা রোগপ্রতিরোধ কার্যক্রম’ নামে পরিচিত ছিল।
১৯৯৫ সালে কার্যক্রমটি আরও শক্তিশালী করতে জাতীয় টিকাদান দিবসের সঙ্গে ভিটামিন এ কর্মসূচি যুক্ত করা হয়। ২০০৩ সাল থেকে এর নাম দেওয়া হয় ‘জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন’। ২০১১ সালে এটি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জাতীয় পুষ্টিসেবা (এনএনএস) কার্যক্রমের আওতাভুক্ত করা হয়।

প্রকাশিত ফেসবুক পোস্ট এর প্রতিবাদ।

ভোলায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সফল করতে প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

প্রকাশের সময় : ০৬:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

ভোলা প্রতিনিধি।।
জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সফল করতে ভোলায় সিভিল সার্জনের আয়োজনে সাংবাদিকদের সাথে প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকাল ১১টায় ভোলা সিভিল সার্জন কনফারেন্স রুমে “প্রেস কনফারেন্স” অনুষ্ঠিত হয়।
প্রায় ১৪ মাস পর দেশব্যাপী ভিটামিন এ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন শুরু হতে যাচ্ছে। অন্ধত্ব প্রতিরোধসহ শিশুদের পুষ্টিহীনতা দূরীকরণের লক্ষ্যে আয়োজিত এই বিশেষ ক্যাম্পেইন ২৮ জুন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে। ভোলায় এদিন ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী ২ লাখ ৯৩ হাজার ১শ ৩৬ জন শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।
এই ক্যাম্পেইন সফল করতে মাঠ পর্যায়ে সেবাদান করবেন  স্বাস্থ্য সহকারী ২৭১ জন, পরিবার পরিকল্পনা কর্মী ১২৭ জন, সি এইচ সিপি ২২১ জন এবং সেচ্ছাসেবক থাকবে ২২১৬ জন।
জেলার ৭টি উপজেলার ৬৭ ইউনিয়নের ২২৮ ওয়ার্ডসহ দুর্গম অঞ্চলেও এই ক্যাম্পেইন কার্যক্রম চালানো হবে। এবং যাঁরা বাদ পড়বে তাদেরকে নিয়মিত ( উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও হাসপাতালে) ৬ টি কেন্দ্রে এই ক্যাপসুল খাওয়ানো হব। ভোলা জেলা সিভিল সার্জন ডা. মনিরুল ইসলাম প্রেস কনফারেন্সে এ তথ্য জানিয়েছেন।
ক্যাম্পেইন বাস্তবায়নের দায়িত্বে আছে জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান। সিভিল সার্জন জানান, এবারের ক্যাম্পেইনে ২ লাখ ৯৩ হাজার ৫’শ শিশুকে অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬ মাস থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের সংখ্যা (যাদের নীল রঙের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে) ৩৪ হাজার ৫’শ জন। ১২ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের সংখ্যা (যাদের লাল রঙের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে) ২ লাখ ৫৯ হাজার জন।
এ বিষয়ে ভোলা পরিবার পরিকল্পনার উপপরিচালক ডা.মো. মনিরুজ্জামান খান বলেন, ২৮ জুন ভোলায় ভিটামিন এ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। বাস্তবায়নের জন্য ইতিমধ্যে ১৬’শ ৮৯ টি কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। এগুলো ইপিআইয়ের নিয়মিত কেন্দ্র।
ভিটামিন এ ক্যাপসুল ইতোমধ্যে হাতে এসে পৌঁছেছে বলে জানান । তিনি বলেন, ‘ক্যাম্পেইন বাস্তবায়নের জন্য আমরা সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিচ্ছি। আশা করছি, ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের অভিভাবকেরা কাছাকাছি কেন্দ্রগুলোয় গিয়ে তাঁদের সন্তানদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর ব্যবস্থা করবেন।
জেলা পর্যায়ে সিভিল সার্জন এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তারা (নিজেদের টিমের মাধ্যমে) স্থানীয় পর্যায়ে মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের দিন পরিবারে ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী সকল শিশুকে নিকটস্থ ক্যাম্পেইন কেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে নিয়ে গিয়ে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো নিশ্চিত করতে অভিভাবকদের আহ্বান জানান সংশ্লিষ্টরা।
জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের প্রচারপত্রে বলা হয়েছে, ভিটামিন এ শিশুর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, ভিটামিন এ শুধু অপুষ্টিজনিত অন্ধত্ব থেকে শিশুদের রক্ষা করে না; বরং তা রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়। দীর্ঘমেয়াদি ডায়রিয়া থেকে শিশুকে সুরক্ষা দেয়। শিশুর মৃত্যুঝুঁকি কমায়।
শিশুদের অন্ধত্ব ও পুষ্টিহীনতা দূর করতে বাংলাদেশে ১৯৭৩ সাল থেকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো শুরু হয়। তখন এটি ‘জাতীয় রাতকানা রোগপ্রতিরোধ কার্যক্রম’ নামে পরিচিত ছিল।
১৯৯৫ সালে কার্যক্রমটি আরও শক্তিশালী করতে জাতীয় টিকাদান দিবসের সঙ্গে ভিটামিন এ কর্মসূচি যুক্ত করা হয়। ২০০৩ সাল থেকে এর নাম দেওয়া হয় ‘জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন’। ২০১১ সালে এটি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জাতীয় পুষ্টিসেবা (এনএনএস) কার্যক্রমের আওতাভুক্ত করা হয়।