, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
প্রকাশিত ফেসবুক পোস্ট এর প্রতিবাদ। গাইবান্ধায় রামমূর্তি নির্মাণের মুলহোতা প্রতারক হরিদাস চন্দ্র তরণী দাস গ্রেফতার গাইবান্ধায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম মিথ্যা অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী সংবাদ সম্মেলন আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন, সভাপতি ভোলা ১ আসনের সংসদ আন্দালিব রহমান পার্থ চুরখাইয়ে আব্দুল বারেক এর জমি আত্মসাতের অভিযোগ, ক্ষমতার দাপটে গ্রাম্য সালিশে হাজির হননি- ফরহাদ কাজী ছেলে হত্যার মামলা প্রত্যাহার না করায় বাবাকে গুলি গাইবান্ধায় জমি বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা ও লুটপাট: নারীসহ আহত ২, থানায় এজাহার গোবিন্দগঞ্জে ১৭১তম হুল দিবসের সমাবেশে বক্তারা ‎সাঁওতালরা আজও অধিকার থেকে বঞ্চিত ইসলামী ব্যাংকিং সম্প্রসারণ ও যাকাত ব্যবস্থাপনা জোরদারের আহ্বান পার্থর। ভোলায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সফল করতে প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

গাইবান্ধায় কৃষকদের নিয়ে ‘উত্তম কৃষি চর্চা’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ ও সনদ বিতরণ

  • প্রকাশের সময় : ১১:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬
  • ২২০ পড়া হয়েছে

গাইবান্ধা,প্রতিনিধিঃ
গাইবান্ধা সদর উপজেলায় নিরাপদ ফসল উৎপাদন ও আধুনিক কৃষি ব্যবস্থার প্রসারে কৃষকদের জন্য ‘উত্তম কৃষি চর্চা’ (GAP) বিষয়ক এক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ব ব্যাংক ও ইফাদ (IFAD)-এর সহায়তায় কৃষি মন্ত্রণালয় কর্তৃক বাস্তবায়িত ‘পার্টনার’ (PARTNER) প্রকল্পের আওতায় এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।

‘প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন এন্টারপ্রেনারশিপ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স’ (PARTNER) প্রকল্পের অধীনে আয়োজিত এই প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য ছিল কৃষকদের আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব চাষাবাদ পদ্ধতিতে দক্ষ করে তোলা। বিশেষ করে রাসায়নিক সারের পরিমিত ব্যবহার, জৈব বালাইনাশক প্রয়োগ এবং ফসল সংগ্রহের পরবর্তী ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে কৃষকদের হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়।

গাইবান্ধা সদর উপজেলা কৃষি অফিসারের কার্যালয় কর্তৃক আয়োজিত এই প্রশিক্ষণে স্থানীয় ৯০ জন কৃষক অংশগ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীদের হাতে আনুষ্ঠানিক সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়।

গত ০৬/০৩/২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত একদিনের এই বিশেষ প্রশিক্ষণে সফলভাবে অংশগ্রহণ করায় মোছাঃ শিরিনা বেগম (স্বামী: মো: বৈজু আলী) সহ অন্যান্য প্রশিক্ষণার্থীদের প্রশংসাপত্র প্রদান করা হয়। শিরিনা বেগম গাইবান্ধা সদরের খোলাহাটী ইউনিয়নের ঘাগোয়া গ্রামের বাসিন্দা।

গাইবান্ধা সদর উপজেলা কৃষি অফিস রাকিবুল আলম প্রশিক্ষণর্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন বর্তমান সরকার নিরাপদ খাদ্যের নিশ্চয়তা দিতে ‘উত্তম কৃষি চর্চা’ বা GAP-এর ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কৃষকরা জানতে পারছেন কীভাবে কম খরচে অধিক এবং পুষ্টিকর ফসল উৎপাদন করা যায়। উৎপাদিত পণ্যের গুণমান বজায় থাকলে কৃষকরা আন্তর্জাতিক বাজারেও তাদের পণ্য রপ্তানির সুযোগ পাবেন।
সনদপ্রাপ্ত কৃষকরা এই উদ্যোগের প্রশংসা করে জানান, এ ধরনের কারিগরি প্রশিক্ষণ তাদের চাষাবাদ পদ্ধতিতে আমূল পরিবর্তন আনবে এবং তাদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সহায়ক হবে।
উক্ত একদিনের কর্মশালা পরিচালনা করেন কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মোঃ সোহেল রানা।

প্রকাশিত ফেসবুক পোস্ট এর প্রতিবাদ।

গাইবান্ধায় কৃষকদের নিয়ে ‘উত্তম কৃষি চর্চা’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ ও সনদ বিতরণ

প্রকাশের সময় : ১১:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

গাইবান্ধা,প্রতিনিধিঃ
গাইবান্ধা সদর উপজেলায় নিরাপদ ফসল উৎপাদন ও আধুনিক কৃষি ব্যবস্থার প্রসারে কৃষকদের জন্য ‘উত্তম কৃষি চর্চা’ (GAP) বিষয়ক এক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ব ব্যাংক ও ইফাদ (IFAD)-এর সহায়তায় কৃষি মন্ত্রণালয় কর্তৃক বাস্তবায়িত ‘পার্টনার’ (PARTNER) প্রকল্পের আওতায় এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।

‘প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন এন্টারপ্রেনারশিপ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স’ (PARTNER) প্রকল্পের অধীনে আয়োজিত এই প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য ছিল কৃষকদের আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব চাষাবাদ পদ্ধতিতে দক্ষ করে তোলা। বিশেষ করে রাসায়নিক সারের পরিমিত ব্যবহার, জৈব বালাইনাশক প্রয়োগ এবং ফসল সংগ্রহের পরবর্তী ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে কৃষকদের হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়।

গাইবান্ধা সদর উপজেলা কৃষি অফিসারের কার্যালয় কর্তৃক আয়োজিত এই প্রশিক্ষণে স্থানীয় ৯০ জন কৃষক অংশগ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীদের হাতে আনুষ্ঠানিক সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়।

গত ০৬/০৩/২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত একদিনের এই বিশেষ প্রশিক্ষণে সফলভাবে অংশগ্রহণ করায় মোছাঃ শিরিনা বেগম (স্বামী: মো: বৈজু আলী) সহ অন্যান্য প্রশিক্ষণার্থীদের প্রশংসাপত্র প্রদান করা হয়। শিরিনা বেগম গাইবান্ধা সদরের খোলাহাটী ইউনিয়নের ঘাগোয়া গ্রামের বাসিন্দা।

গাইবান্ধা সদর উপজেলা কৃষি অফিস রাকিবুল আলম প্রশিক্ষণর্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন বর্তমান সরকার নিরাপদ খাদ্যের নিশ্চয়তা দিতে ‘উত্তম কৃষি চর্চা’ বা GAP-এর ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কৃষকরা জানতে পারছেন কীভাবে কম খরচে অধিক এবং পুষ্টিকর ফসল উৎপাদন করা যায়। উৎপাদিত পণ্যের গুণমান বজায় থাকলে কৃষকরা আন্তর্জাতিক বাজারেও তাদের পণ্য রপ্তানির সুযোগ পাবেন।
সনদপ্রাপ্ত কৃষকরা এই উদ্যোগের প্রশংসা করে জানান, এ ধরনের কারিগরি প্রশিক্ষণ তাদের চাষাবাদ পদ্ধতিতে আমূল পরিবর্তন আনবে এবং তাদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সহায়ক হবে।
উক্ত একদিনের কর্মশালা পরিচালনা করেন কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মোঃ সোহেল রানা।