, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গাইবান্ধায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত গাইবান্ধায় কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের শহীদ মিনার ভাঙচুর, ক্ষোভ ভোলার বোরহানউদ্দিনে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যকে পিটিয়ে জখম গাইবান্ধায় শিশু স্বর্গের ফলক উন্মোচন ও মতবিনিময় করলেন সচিব মো. আমিনুল ইসলাম গাইবান্ধায় ৩২৫ পিস ইয়াবাসহ কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ীর স্ত্রী গ্রেপ্তার, নগদ টাকা উদ্ধার গাইবান্ধার ফুলছড়িতে বহুমুখী নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্র উদ্বোধন ও বীজ বিতরণ যুব শক্তি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে জাতীয় গুণী শিক্ষক সাহিদা আক্তার সুমনাকে সম্মাননা প্রদান ভোলার চর সামাইয়া-আলীনগরে মাইনউদ্দিন-জসিমের নেতৃত্বে চলছে মাদকের রমরমা বানিজ্য! গাইবান্ধায় বার্ষিক ক্রীড়া কর্মসূচির আওতায় সাঁতার প্রশিক্ষণের উদ্বোধন ভোলায় ৯৫ বছরের বৃদ্ধ বাবার সম্পত্তি আত্মসাতের পাঁয়তারা, জাল দলিল তৈরির প্রতিবাদে মানববন্ধন।

যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূকে নির্যাতন, ৯৯৯-এ ফোনে উদ্ধার

  • প্রকাশের সময় : ০৯:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
  • ৫৬২ পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার:

ভোলার সদর উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নে যৌতুকের দাবিতে শামিমা আক্তার মিতু নামে এক গৃহবধূকে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বর্বর নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। গত শুক্রবার (২৭ মার্চ) গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।

ভুক্তভোগী বর্তমানে বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি বোরহানউদ্দিন উপজেলার বড় মানিকা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা শাহে আলম ও নারগিস আক্তারের মেয়ে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৪ জানুয়ারি ভোলা সদর উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের বাসিন্দা আবুল কালামের ছেলে এবং ভোলা টেকনিক্যাল স্কুলের শিক্ষক ইমাম হোসেন বাপ্পীর সঙ্গে মিতুর বিয়ে হয়। বিয়ের সময় কনের পরিবার থেকে নগদ ১০ লাখ টাকা, ১৩ ভরি স্বর্ণালংকার এবং প্রায় ৪ লাখ টাকা মূল্যের একটি মোটরসাইকেল দেওয়া হয়। তবে এরপরও অতিরিক্ত যৌতুকের দাবিতে মিতুর ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চলতে থাকে বলে অভিযোগ।

অভিযোগ রয়েছে, স্বামী ইমাম হোসেন বাপ্পী তার মা জোসনা বেগমের প্ররোচনায় প্রায়ই মিতুকে মারধর করতেন। সর্বশেষ শুক্রবার রাতে যৌতুক নিয়ে বিরোধের জেরে তাকে গুরুতরভাবে মারধর করা হয়। খবর পেয়ে মিতুর মা ৯৯৯-এ কল করলে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।

এর আগেও গত ২০ মার্চ একই অভিযোগে শ্বশুর আবুল কালাম, ননদ জুলি ও হ্যাপীর বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ রয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে মিতুর ওপর নির্যাতন চালানো হচ্ছে এবং বিভিন্নভাবে হুমকিও দেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন মিতু ও তার পরিবার। তারা জানান, এ বিষয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

অভিযুক্ত শিক্ষক ইমাম হোসেন বাপ্পী এ বিষয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান। তিনি বলেন, “নিউজ করলে আমার চাকরির সমস্যা হবে,” এবং সংবাদ প্রকাশ না করার অনুরোধ করেন।

জনপ্রিয়

গাইবান্ধায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত

যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূকে নির্যাতন, ৯৯৯-এ ফোনে উদ্ধার

প্রকাশের সময় : ০৯:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার:

ভোলার সদর উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নে যৌতুকের দাবিতে শামিমা আক্তার মিতু নামে এক গৃহবধূকে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বর্বর নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। গত শুক্রবার (২৭ মার্চ) গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।

ভুক্তভোগী বর্তমানে বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি বোরহানউদ্দিন উপজেলার বড় মানিকা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা শাহে আলম ও নারগিস আক্তারের মেয়ে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৪ জানুয়ারি ভোলা সদর উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের বাসিন্দা আবুল কালামের ছেলে এবং ভোলা টেকনিক্যাল স্কুলের শিক্ষক ইমাম হোসেন বাপ্পীর সঙ্গে মিতুর বিয়ে হয়। বিয়ের সময় কনের পরিবার থেকে নগদ ১০ লাখ টাকা, ১৩ ভরি স্বর্ণালংকার এবং প্রায় ৪ লাখ টাকা মূল্যের একটি মোটরসাইকেল দেওয়া হয়। তবে এরপরও অতিরিক্ত যৌতুকের দাবিতে মিতুর ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চলতে থাকে বলে অভিযোগ।

অভিযোগ রয়েছে, স্বামী ইমাম হোসেন বাপ্পী তার মা জোসনা বেগমের প্ররোচনায় প্রায়ই মিতুকে মারধর করতেন। সর্বশেষ শুক্রবার রাতে যৌতুক নিয়ে বিরোধের জেরে তাকে গুরুতরভাবে মারধর করা হয়। খবর পেয়ে মিতুর মা ৯৯৯-এ কল করলে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।

এর আগেও গত ২০ মার্চ একই অভিযোগে শ্বশুর আবুল কালাম, ননদ জুলি ও হ্যাপীর বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ রয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে মিতুর ওপর নির্যাতন চালানো হচ্ছে এবং বিভিন্নভাবে হুমকিও দেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন মিতু ও তার পরিবার। তারা জানান, এ বিষয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

অভিযুক্ত শিক্ষক ইমাম হোসেন বাপ্পী এ বিষয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান। তিনি বলেন, “নিউজ করলে আমার চাকরির সমস্যা হবে,” এবং সংবাদ প্রকাশ না করার অনুরোধ করেন।